Latest Post



লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব কে থোড়াই কেয়ার করে কাঁথি শহরে চলছে মিড-ডে মিলের চাল দেওয়ার কাজ...
                         বৃহস্পতিবার বেলা বাড়ার সাথে সাথেই স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অভিবাবকদের লম্বা লাইন পড়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দুটি বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে। যেখানে সামাজিক দূরত্ব কে কোনো রকম ভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন না অভিভাবকরা। একে অপরের গা ঘেঁষে ব্যাগ হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁরা। অথচ এই জেলাই হটস্পট হিসেবে ভারতবর্ষের মানচিত্রে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। শুধুতাই নয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনকেও পাত্তা দিচ্ছে না এই শহরের লোকজন। যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বারবার করে বলছেন সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কথা। কিন্তু কে শোনে কার কথা। বিন্দুমাত্র সচেতনতার বালাই নেই এই শহরে।



দিঘাঃ গ্রীষ্ম পড়তেই রক্ত সংকট দেখা দেয় সারা রাজ্য জুড়ে। চলছে করোনা মহামারীর জন্য লকডাউন সারা বিশ্ব জুড়ে। তারই ফলে কোন ক্লাব বা সংগঠন রক্তদান শিবিরের আয়োজন করতে পারেনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রত্যেক থানা গুলি আয়োজন করছে রক্তদান শিবিরের। বৃহস্পতিবার দিঘা থানার উদ্যোগে এক বেসরকারি হোটেলে রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। 

                       এই শিবিরের উদ্বোধন করেন ডিএসপি (ইউ টি) ঈপ্সিতা দত্ত। এ দিন  তিনি নিজে ওই শিবিরে রক্তদান করেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৩০ জন সিভিক এবং পুলিশ কর্মী রক্ত দান করেন। পুলিশ সূত্রের খবর, তার পাশাপাশি এই বিশ্বজুড়ে যে করোনা মহামারী চলছে এবং লকডাউনের মধ্যে যে সমস্ত মানুষরা বাইরে বের হচ্ছে তাদেরকে সচেতনতা করা বিনা মাক্সে যাতে বাড়ির বাইরে না বের হয়। প্রশাসন তাদের সব সময় পাশে রয়েছে। সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী লকডাউনকে মেনে চলুন সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন তবে এই বিশ্ব করোনা মহামারী থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। কাঁথি মহকুমা হাসপাতালের ব্ল্যাডব্যাঙ্ক রক্ত সংগ্রহ করে। উপস্থিত ছিলেন দিঘার সিআই সুজয় মুখ্যার্জী, দিঘা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু প্রধান, রামনগর-১ ব্লকের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ সুশান্ত পাত্র, সমাজসেবী কমল আদক ও তপন মাইতি- সহ বিশিষ্টজনেরা।


                                                          সংবাদদাতা : প্রদীপ কুমার মাইতি




দক্ষিণ দিনাজপুরঃ খবরের জেরে বিপ্লবী প্রফুল্ল চাকির নাতনি মাধবী তালুকদারের পাশে দাঁড়ালো হোয়াইট এগলস নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের বিশিষ্ট সাংবাদিক চয়ন হোরের হাত দিয়ে মাধবী দেবীর হাতে তুলে দেওয়া হলো এক মাসের খাদ্য সরঞ্জাম।লকডাউনের মাঝে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কাছে থেকে সাহায্য পেয়ে খুশি মাধবী দেবী। উল্লেখ্য গত কয়েকদিন আগে লকডাউনের মাঝে অর্থহারে দিন কাটছিল বিপ্লবী প্রফুল্ল চাকির নাতনি মাধবী তালুকদার। এমন খবর প্রকাশিত হবার পরেই মাধবী দেবীকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গুলি। সেই মতো এদিন হোয়াইট এগলস নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তফর থেকে মাধবী দেবীর হাতে তুলে দেওয়া হলো খাদ্যসামগ্রী। এদিন এই খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন গঙ্গারামপুরের বিশিষ্ট সাংবাদিক চয়ন হোর ।



নিজেদের শরীরের রক্ত দান করে মানবিকতার নজির গড়ল বচ্ছিপুর আজাদ সংঘ। মাস্ক বিলি দিয়ে শুরু। তারপর চাল, আলু বিতরণ। আর মঙ্গলবার রক্তদান শিবির। এভাবেই করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর থানার বচ্ছিপুর আজাদ সংঘ। সারা দেশে লকডাউন চলছে। ফলে জেলা জুড়ে তৈরী হয়েছে রক্তের সঙ্কট। তাই নিজেদের শরীরের রক্ত দান করে করোনা যুদ্ধে সামিল হল ভগবানপুরের বচ্ছিপুর আজাদ সংঘ। 

     আজ ভগবানপুরে আয়োজিত এই  রক্তদান শিবিরে সংঘের সদস্য, তাদের  পরিবারের লোকজন ও শুভাকাঙ্খী মিলিয়ে ১১ জন মহিলা সহ মোট ৫০ জন রক্ত দান করেন। রক্ত সংগ্রহ করে তমলুক জেলা ব্লাড ব্যাঙ্ক। আজাদ সংঘের সম্পাদক সেক হাসিফুর রহমান বলেন, বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষ আজ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছেন প্রতিদিন।জেলা জুড়ে তৈরী হয়েছে রক্ত সংকট। তাই নিজেদের শরীরের রক্ত দিয়ে আজ আমরা সামিল হয়েছি করোনা মোকাবিলায়। এদিনের রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন ভগবানপুর ১ ব্লকের বিডিও পঙ্কজ কোনার, ভগবানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার প্রণব রায়, সংঘের সভাপতি সেক মুজিবুর রহমান, মদন মোহন পাত্র, সেক নজরুল, সেক মোরতাজ, অনুপম সরকার সহ ভগবানপুরের বহু বিশিষ্ট মানুষ। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই রক্তদান শিবির হয়। সারা বছর খেলা ও সংস্কৃতি চর্চার নিয়োজিত ভগবানপুরের এই সংস্থা করোনা মোকাবিলায় ইতিমধ্যে দুই হাজার মানুষকে মাস্ক ও এক হাজার মানুষকে চাল-আলু বিতরণ করেছে। খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষজনকে বাড়ির বাইরে না যাওয়ার অনুরোধ করেছেন আজাদ সংঘের সম্পাদক সেক হাসিফুর রহমান।




শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি বাঁকুড়া জেলা জুড়ে সবজির , বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়ো হাওয়ায় বিপর্যস্ত স্বাভাবিক জনজীবন । বাঁকুড়া জেলাই নয় শিলিগুড়ি থেকে শুরু করে দিঘা পর্যন্ত বৃষ্টি হওয়ায় কৃষিকাজে ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। লকডাউনের কারনে এমনিতেই সমস্ত কিছুই থমকে গিয়েছে। সরকার ২০এপ্রিল অর্থাৎ সোমবার থেকে কৃষি কাজে ছাড় দিয়েছে। কিন্তু বৃষ্টি নামায় ক্ষতির মুখে চাষীরা।

একে লকডাউনের জেরে সবজির দাম নেই ব্যাপক ক্ষতির মুখে ছিল সবজি চাষিরা তার উপর গতকালকে ঝড়ো হাওয়া শিলাবৃষ্টি ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়িয়ে দিল জেলার চাষিদের । য়পুর ইন্দপুর সারেঙ্গা সোনামুখী পাত্রসায়ের ইন্দাস কোতুলপুর জয়পুর সহ বিভিন্ন প্রান্তে সবজি চাষীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন । বিকেল থেকে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে সারারাত বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি অব্যাহত ছিল । ফলে সবজির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ঘর-বাড়ি ঝড়ো হাওয়া তান্ডবে বিপর্যস্ত হয় । বসতবাড়ি হারিয়ে একাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে পরে ।
শিলা বৃষ্টির কারণে সরষে পটল ঝিঙে সহ বিভিন্ন সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে । পাশাপাশি ধানের আংশিক ক্ষতি হয়েছে বলছেন চাষীরা । কোথাও পটলের মাচা পড়ে গিয়েছে আবার পাশাপাশি শসা ঝিঙে পাতা শিলাবৃষ্টিতে ঝাঁজরা করে দিয়েছে । ফলে আগামী দিনে এই সমস্ত সবজি আর ভালোভাবে হবে না । একেতেই লকডাউন এর জেরে সাধারণ মানুষ গৃহবন্দী তার ওপর অকাল শিলাবৃষ্টি ঝড়ো হাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবন তটস্থ হয়ে উঠেছে ।
জয়ন্ত বিশ্বাস তাপস সরকার রা বলেন লকডাউন এর জেরে সবজি বিক্রি নেই তার উপর শিলাবৃষ্টিতে যেভাবে আমাদের সবজির ক্ষতি হলো তাতে আগামী দিনে সংসার কিভাবে চলবে তাই ভেবে কুল পাচ্ছি না ।

সংবাদদাতা–সঞ্জীব মল্লিক



গ্রীষ্ম পড়তেই রক্ত সংকট দেখা দেয় সারা রাজ্য জুড়ে। চলছে করোনা মহামারীর জন্য লকডাউন সারা বিশ্ব জুড়ে। তারই ফলে কোন ক্লাব বা সংগঠন রক্তদান শিবিরের আয়োজন করতে পারেনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে থানা গুলি আয়োজন করছে রক্তদান শিবিরের। মঙ্গলবার মহিষাদল থানার উদ্যোগে রবীন্দ্র পাঠাগার মঞ্চে রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয় এই শিবিরের উদ্বোধন করেন হলদিয়া মহকুমা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ ঘোষ এবং হলদিয়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক বৃন্দ। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় 70 জন সিভিক এবং পুলিশ কর্মী রক্ত দান করেন। তার পাশাপাশি এই বিশ্বজুড়ে যে করোনা মহামারী চলছে এবং লকডাউনের মধ্যে যে সমস্ত মানুষরা বাইরে বের হচ্ছে তাদেরকে সচেতনতা করা বিনা মাক্সে যাতে বাড়ির বাইরে না বের হয়। প্রশাসন তাদের সব সময় পাশে রয়েছে। সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী লকডাউনকে মেনে চলুন সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন তবে এই বিশ্ব করোনা মহামারী থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

                                                                              সংবাদদাতা–প্রদীপ মাইতি

Author Name

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.