April 2020



লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব কে থোড়াই কেয়ার করে কাঁথি শহরে চলছে মিড-ডে মিলের চাল দেওয়ার কাজ...
                         বৃহস্পতিবার বেলা বাড়ার সাথে সাথেই স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অভিবাবকদের লম্বা লাইন পড়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দুটি বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে। যেখানে সামাজিক দূরত্ব কে কোনো রকম ভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন না অভিভাবকরা। একে অপরের গা ঘেঁষে ব্যাগ হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁরা। অথচ এই জেলাই হটস্পট হিসেবে ভারতবর্ষের মানচিত্রে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। শুধুতাই নয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনকেও পাত্তা দিচ্ছে না এই শহরের লোকজন। যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বারবার করে বলছেন সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কথা। কিন্তু কে শোনে কার কথা। বিন্দুমাত্র সচেতনতার বালাই নেই এই শহরে।



দিঘাঃ গ্রীষ্ম পড়তেই রক্ত সংকট দেখা দেয় সারা রাজ্য জুড়ে। চলছে করোনা মহামারীর জন্য লকডাউন সারা বিশ্ব জুড়ে। তারই ফলে কোন ক্লাব বা সংগঠন রক্তদান শিবিরের আয়োজন করতে পারেনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রত্যেক থানা গুলি আয়োজন করছে রক্তদান শিবিরের। বৃহস্পতিবার দিঘা থানার উদ্যোগে এক বেসরকারি হোটেলে রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। 

                       এই শিবিরের উদ্বোধন করেন ডিএসপি (ইউ টি) ঈপ্সিতা দত্ত। এ দিন  তিনি নিজে ওই শিবিরে রক্তদান করেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৩০ জন সিভিক এবং পুলিশ কর্মী রক্ত দান করেন। পুলিশ সূত্রের খবর, তার পাশাপাশি এই বিশ্বজুড়ে যে করোনা মহামারী চলছে এবং লকডাউনের মধ্যে যে সমস্ত মানুষরা বাইরে বের হচ্ছে তাদেরকে সচেতনতা করা বিনা মাক্সে যাতে বাড়ির বাইরে না বের হয়। প্রশাসন তাদের সব সময় পাশে রয়েছে। সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী লকডাউনকে মেনে চলুন সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন তবে এই বিশ্ব করোনা মহামারী থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। কাঁথি মহকুমা হাসপাতালের ব্ল্যাডব্যাঙ্ক রক্ত সংগ্রহ করে। উপস্থিত ছিলেন দিঘার সিআই সুজয় মুখ্যার্জী, দিঘা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু প্রধান, রামনগর-১ ব্লকের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ সুশান্ত পাত্র, সমাজসেবী কমল আদক ও তপন মাইতি- সহ বিশিষ্টজনেরা।


                                                          সংবাদদাতা : প্রদীপ কুমার মাইতি




দক্ষিণ দিনাজপুরঃ খবরের জেরে বিপ্লবী প্রফুল্ল চাকির নাতনি মাধবী তালুকদারের পাশে দাঁড়ালো হোয়াইট এগলস নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের বিশিষ্ট সাংবাদিক চয়ন হোরের হাত দিয়ে মাধবী দেবীর হাতে তুলে দেওয়া হলো এক মাসের খাদ্য সরঞ্জাম।লকডাউনের মাঝে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কাছে থেকে সাহায্য পেয়ে খুশি মাধবী দেবী। উল্লেখ্য গত কয়েকদিন আগে লকডাউনের মাঝে অর্থহারে দিন কাটছিল বিপ্লবী প্রফুল্ল চাকির নাতনি মাধবী তালুকদার। এমন খবর প্রকাশিত হবার পরেই মাধবী দেবীকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গুলি। সেই মতো এদিন হোয়াইট এগলস নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তফর থেকে মাধবী দেবীর হাতে তুলে দেওয়া হলো খাদ্যসামগ্রী। এদিন এই খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন গঙ্গারামপুরের বিশিষ্ট সাংবাদিক চয়ন হোর ।



নিজেদের শরীরের রক্ত দান করে মানবিকতার নজির গড়ল বচ্ছিপুর আজাদ সংঘ। মাস্ক বিলি দিয়ে শুরু। তারপর চাল, আলু বিতরণ। আর মঙ্গলবার রক্তদান শিবির। এভাবেই করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর থানার বচ্ছিপুর আজাদ সংঘ। সারা দেশে লকডাউন চলছে। ফলে জেলা জুড়ে তৈরী হয়েছে রক্তের সঙ্কট। তাই নিজেদের শরীরের রক্ত দান করে করোনা যুদ্ধে সামিল হল ভগবানপুরের বচ্ছিপুর আজাদ সংঘ। 

     আজ ভগবানপুরে আয়োজিত এই  রক্তদান শিবিরে সংঘের সদস্য, তাদের  পরিবারের লোকজন ও শুভাকাঙ্খী মিলিয়ে ১১ জন মহিলা সহ মোট ৫০ জন রক্ত দান করেন। রক্ত সংগ্রহ করে তমলুক জেলা ব্লাড ব্যাঙ্ক। আজাদ সংঘের সম্পাদক সেক হাসিফুর রহমান বলেন, বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষ আজ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছেন প্রতিদিন।জেলা জুড়ে তৈরী হয়েছে রক্ত সংকট। তাই নিজেদের শরীরের রক্ত দিয়ে আজ আমরা সামিল হয়েছি করোনা মোকাবিলায়। এদিনের রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন ভগবানপুর ১ ব্লকের বিডিও পঙ্কজ কোনার, ভগবানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার প্রণব রায়, সংঘের সভাপতি সেক মুজিবুর রহমান, মদন মোহন পাত্র, সেক নজরুল, সেক মোরতাজ, অনুপম সরকার সহ ভগবানপুরের বহু বিশিষ্ট মানুষ। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই রক্তদান শিবির হয়। সারা বছর খেলা ও সংস্কৃতি চর্চার নিয়োজিত ভগবানপুরের এই সংস্থা করোনা মোকাবিলায় ইতিমধ্যে দুই হাজার মানুষকে মাস্ক ও এক হাজার মানুষকে চাল-আলু বিতরণ করেছে। খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষজনকে বাড়ির বাইরে না যাওয়ার অনুরোধ করেছেন আজাদ সংঘের সম্পাদক সেক হাসিফুর রহমান।




শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি বাঁকুড়া জেলা জুড়ে সবজির , বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়ো হাওয়ায় বিপর্যস্ত স্বাভাবিক জনজীবন । বাঁকুড়া জেলাই নয় শিলিগুড়ি থেকে শুরু করে দিঘা পর্যন্ত বৃষ্টি হওয়ায় কৃষিকাজে ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। লকডাউনের কারনে এমনিতেই সমস্ত কিছুই থমকে গিয়েছে। সরকার ২০এপ্রিল অর্থাৎ সোমবার থেকে কৃষি কাজে ছাড় দিয়েছে। কিন্তু বৃষ্টি নামায় ক্ষতির মুখে চাষীরা।

একে লকডাউনের জেরে সবজির দাম নেই ব্যাপক ক্ষতির মুখে ছিল সবজি চাষিরা তার উপর গতকালকে ঝড়ো হাওয়া শিলাবৃষ্টি ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়িয়ে দিল জেলার চাষিদের । য়পুর ইন্দপুর সারেঙ্গা সোনামুখী পাত্রসায়ের ইন্দাস কোতুলপুর জয়পুর সহ বিভিন্ন প্রান্তে সবজি চাষীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন । বিকেল থেকে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে সারারাত বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি অব্যাহত ছিল । ফলে সবজির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ঘর-বাড়ি ঝড়ো হাওয়া তান্ডবে বিপর্যস্ত হয় । বসতবাড়ি হারিয়ে একাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে পরে ।
শিলা বৃষ্টির কারণে সরষে পটল ঝিঙে সহ বিভিন্ন সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে । পাশাপাশি ধানের আংশিক ক্ষতি হয়েছে বলছেন চাষীরা । কোথাও পটলের মাচা পড়ে গিয়েছে আবার পাশাপাশি শসা ঝিঙে পাতা শিলাবৃষ্টিতে ঝাঁজরা করে দিয়েছে । ফলে আগামী দিনে এই সমস্ত সবজি আর ভালোভাবে হবে না । একেতেই লকডাউন এর জেরে সাধারণ মানুষ গৃহবন্দী তার ওপর অকাল শিলাবৃষ্টি ঝড়ো হাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবন তটস্থ হয়ে উঠেছে ।
জয়ন্ত বিশ্বাস তাপস সরকার রা বলেন লকডাউন এর জেরে সবজি বিক্রি নেই তার উপর শিলাবৃষ্টিতে যেভাবে আমাদের সবজির ক্ষতি হলো তাতে আগামী দিনে সংসার কিভাবে চলবে তাই ভেবে কুল পাচ্ছি না ।

সংবাদদাতা–সঞ্জীব মল্লিক



গ্রীষ্ম পড়তেই রক্ত সংকট দেখা দেয় সারা রাজ্য জুড়ে। চলছে করোনা মহামারীর জন্য লকডাউন সারা বিশ্ব জুড়ে। তারই ফলে কোন ক্লাব বা সংগঠন রক্তদান শিবিরের আয়োজন করতে পারেনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে থানা গুলি আয়োজন করছে রক্তদান শিবিরের। মঙ্গলবার মহিষাদল থানার উদ্যোগে রবীন্দ্র পাঠাগার মঞ্চে রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয় এই শিবিরের উদ্বোধন করেন হলদিয়া মহকুমা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ ঘোষ এবং হলদিয়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক বৃন্দ। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় 70 জন সিভিক এবং পুলিশ কর্মী রক্ত দান করেন। তার পাশাপাশি এই বিশ্বজুড়ে যে করোনা মহামারী চলছে এবং লকডাউনের মধ্যে যে সমস্ত মানুষরা বাইরে বের হচ্ছে তাদেরকে সচেতনতা করা বিনা মাক্সে যাতে বাড়ির বাইরে না বের হয়। প্রশাসন তাদের সব সময় পাশে রয়েছে। সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী লকডাউনকে মেনে চলুন সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন তবে এই বিশ্ব করোনা মহামারী থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

                                                                              সংবাদদাতা–প্রদীপ মাইতি





মহিষাদল ব্লকের সতীশ সামন্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘাসিপুর দেশবন্ধু ক্লাব ও এলাকার কিছু শুভানুধ্যায়ী মানুষ এলাকার গাজীপুর প্রাথমিক স্কুল মাঠে সোমবার ২০০ জন ব্যক্তির হাতে চাল ডাল আলু তেল তুলে দিলেন। এই সাহায্য পেয়ে এলাকার  মানুষরা এই উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানিয়েছে। উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী কল্যাণ কুন্ডু , সমাজসেবী বিশ্বনাথ ঘোড়া ,স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সৌরেন প্রমানিক, বাপি বেরা প্রমুখ। সংস্থার কর্ণধার মৃন্ময় প্রামানিক বলেন "আমরা আমরা সারা বছর বিভিন্নভাবে সমাজ সেবামূলক কাজ করে থাকি। আমরা সকলে মিলে 5 টি গ্রামের দুঃস্থ ব্যক্তিদের হাতে চাল ডাল আলু তেল তুলে দিলাম আমরা বিগত দিনে চেষ্টা করব আরও বেশ কিছু মানুষের হাতে এই সাহায্য তুলে দেওয়ার, আমরা আজ ২০০ জন মানুষের হাতে এই সাহায্য তুলে দিলাম।" বর্তমানে কোন ভাইরাসের যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে তা থেকে মানুষকে সতর্ক থাকার, বাইরে না বেরোনো ও খুব প্ৰয়োজন এ বেরোলে দূরত্ব বজায় রেখে চলার নির্দেশ দেন কর্মকর্তারা।
                      
                                                                                     সংবাদদাতা–প্রদীপ মাইতি




সংবাদদাতা : করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হলেও অনেকেই রোজ ভিড় জমাচ্ছেন বাজারে। রাজ্যের অনেক বাজারেই ভিড়ের ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেনদের অনেকেরই বক্তব্য, খাদ্যরসিক বাঙালির সিংহভাগই নানা পদের লোভে বাজারমুখী হচ্ছেন। আর এর ঝুঁকি যে কম নয় তা বলাই বাহুল্য। তাই ভোজনরসিকদের জন্যই আজ রইল কয়েকটি সাধারণ অথচ সুস্বাদু পদের লিস্ট, যা বাড়িতে সাধারণত থাকা উপকরণ দিয়েই বানাতে পারবেন চটজলদি। 

১. জিরা রাইস : ভাত রান্নার সময়ে একটু ঝরঝরে রাখুন। এর পর কড়াইতে অল্প তেল গরম করে মুচমুচে করে পেঁয়াজ ভেজে আলাদা তুলে রাখুন। সেই তেলেই এবার একটু গোটা জিরে ও তেজপাতা দিন। অল্প জিরে গুঁড়ো দিন। একটু নাড়াচাড়া করে ভাতটা ঢেলে দিন। পরিমাণ মতো নুন-মিষ্টি দিন। এবার বেরেস্তা(মুচমুচে পেঁয়াজ ভাজা) ছড়িয়ে কিছুক্ষণ চাপা দিয়ে রাখুন। 
    
আরো খবর পড়তে উপরে লিংকে ক্লিক করুন।
                                                                   
২. সহজ আলুর দম: একটু ছোট সাইজের আলু সেদ্ধ করে নিন। এর পর কড়াতে তেল গরম করে গরম মশলা, তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। আদা-রসুন বাটা দিন। এর পর মিহি করে কুঁচোনো পেঁয়াজ দিয়ে ভাজুন। বাড়িতে মিট মশলা থাকলে সেটাও একটু দিতে পারেন। নয় তো জিরে-ধনে গুড়ো দিন। একটু ভাজা ভাজা হলে বেশ কিছুটা টম্যাটো সস দিন। আলুগুলো দিয়ে কষান। স্বাদমতো নুন-মিষ্টি দিন। এরপর অল্প জল ঢেলে কয়েক মিনিট ফুটতে দিন। ব্যাস, চটজলদি আলুর দম রেডি। রুটি, ভাত বা জিরা রাইসের সঙ্গে খেতে পারেন। 
৩. পান্তা ভাত - না, ভ্রু কুঁচকানোর কিছু নেই। পান্তা ভাত রান্না শেখানোরও কিছু নেই। তবে লকডাউনের সময়ে রোজ রোজ ডাল-ভাতের একঘেয়েমি কাটাতে সপ্তাহের কয়েকদিন পান্তা ভাতও খেতে পারেন। সঙ্গে নিন লেবু, লঙ্কা, পেঁয়াজ। শুকনো লঙ্কা দিয়ে আলুভাতে মেখে নিতে পারেন। আলু-পেঁয়াজ ভাজাও পান্তার সঙ্গে বেশ ভাল লাগে। খেতেও মজা, শরীরও ভাল থাকবে। 
৪. ভাত ভাজা: আগেকার দিনে মা-ঠাকুরমাদের হাতের এই পদটার বেশ চল ছিল। ফ্রিজে বাসি ভাত থাকলে অনেক সময়ে সেই ভাত পরের দিন আর খেতে ইচ্ছা করে না। সেই সময়ে কড়াতে একটু ঘি বা মাখন গরম করে একটু গরম মশলা ফোড়ন দিন। এর পর পেঁয়াজ কুচি, লঙ্কা কুচি ভাজুন। এবার বাড়িতে কাজু বাদাম বা চিনে বাদাম থাকলে সেটা তেলে দিয়ে দিন। কিসমিস থাকলেও দিতে পারেন। নেড়েচেড়ে ভাতটা দিয়ে দিন। কড়ায় হিট বেশি রেখে বেশ করে সবকিছু মিশিয়ে নিন। স্বাদ মতো নুন মিষ্টি দিন। ব্যস, ভাত-ভাজা রেডি। এটাকে চাইনিজ ফ্রায়েড-রাইসের বাঙালি সংস্করণ বলা যেতে পারে। আলুর দম বা ডিম কষা দিয়ে জমে যাবে। 
৫. ময়দা-দুধ মিশিয়ে অমলেট বানিয়ে তরকারি: আগেরকার একান্নবর্তী পরিবারে অনেকসময়েই সাশ্রয়ের কথা ভেবে মাথা-পিছু অর্ধেক করে ডিম বরাদ্দ হত। তবে, সেই ডিম দেখে যাতে অর্ধেক মনে না হয়, তার জন্য এক ফন্দি আঁটেন মা-ঠাকুমারা। ডিমগুলো ভেঙে তার সঙ্গে ময়দা ও দুধ মিশিয়ে নেওয়া হত। সঙ্গে অল্প রসুন-বাটা ও লঙ্কা কুঁচি। এরপর সেটাকেই ফেটিয়ে নিয়ে ভাজা হত। ফলে সমপরিমাণ ডিমেই অনেক বেশি এবং বড় বড় অমলেট হত। সেই অমলেটই পরে ডিমের ঝোলে দেওয়া হত। ডিম পিছু ৪-৫ চামচ ময়দা ও ২-৩ চামচ দুধ মেশানো যেতে পারে। তবে দুধ বেশি মেশাবেন না, অমলেট ভাজার সময়ে বেশি লালচে রঙ হয়ে যেতে পারে। 
লকডাউনের এই সময়ে যদি ডিম আনা থাকে, তবে তা বেশিদিন চালানোর জন্য এই পন্থা অবলম্বন করতেই পারেন। আর স্বাদও বেশ ভাল হয়। অনেকটা চিলি চিকেনের কোটিংয়ের ফ্লেভার পাওয়া যায় এই ধরনের অমলেটে।

সংবাদপত্রে যেকোন বিজ্ঞাপন দিতে এখনই যোগাযোগ করুন– 

 আপনার সংস্থার হোর্ডিং দিয়ে বিজ্ঞাপন করতে চান ?
কেবল টিভিতে বিজ্ঞাপন দিতে চান ?
সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিতে চান ?
যোগাযোগ করতে উপরের লোগোতে ক্লিক করুন।




বিশেষ প্রতিবেদন :   ফটোগ্রাফির টানে অনেকেই দেশ-বিদেশ পারি দেন, মাঠে-ঘাটে, জঙ্গলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটান অনায়াসেই। একটা ভাল ছবির জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষাও করতে হয়। কিন্তু অপেক্ষা করলে ছবির ভাল বিষয় পাওয়া গেলেও ফটোগ্রাফির খুঁটিনাটি জানা না থাকলে ভাল ছবি তোলা মুশকিল !
ফটোগ্রাফি শেখার একাধিক নামী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। অনেকেই ইদানীং অনলাইনেই টাকা দিয়ে শিখে নিচ্ছেন ফটোগ্রাফি। আর করোনা আতঙ্কের জেরে গোটা দেশ যেখানে ঘরবন্দি, সেখানে এই সুযোগে ঘরে বসে অনলাইনেই শিখে নিতে পারেন ফটোগ্রাফি, তা-ও একেবারেই বিনামূল্যে!
বিজ্ঞাপন
অবাক হচ্ছেন! লকডাউনে এমনই আকর্ষণীয় সুযোগ দিচ্ছে Nikon। সংস্থার ওয়েবসাইটে গিয়ে ছবি তোলার বেসিক টিউটোরিয়াল থেকে শুরু করে মিউজিক ভিডিয়ো বানানো পর্যন্ত, সব রকমের অনলাইন কোর্সই বিনামূল্যে করে ফেলা যাবে এই সুযোগে।

Nikon-এর অনলাইন ক্লাসে ফটোগ্রাফি শিখতে চাইলে নিজের নাম, দেশ আর ইমেল আইডি উল্লেখ করে সংস্থার ওয়েবসাইটে আবেদন পাঠাতে হবে। Nikon-এর এই অনলাইন ক্লাসে ১৫ মার্কিন ডলার থেকে প্রায় ৫০ মার্কিন ডলার (ভারতীয় মূদ্রায় যা প্রায় ৪ হাজার টাকা) খরচ হয়। লকডাউনে ফটোগ্রাফির এই প্রাথমিক পাঠ আপনি শিখে নিতে পারবেন একেবারে বিনামূল্যেই!


Author Name

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.