March 2020



লকডাউন

বিমান কুমার নায়ক



লকডাউন - লকডাউন - লকডাউন
চারিদিকে শুধু শব্দযুগল করোনা আর লকডাউন -
আতঙ্কে স্তব্ধ সারা দুনিয়া।



মানব সভ্যতা আজ ধ্বংস-খাদের কিনারায় -
দিশেহারা ডাক্তার, নার্স, পুলিশ,
ঘুম নেই রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী, আমলার।



অসহায় গবেষকদের একটিই নিদান
মানুষ থাক এখন - লকডাউনেই।



প্রতিদিনের চেনা ছবি আজ যেন উল্টো,
মর্নিংওয়াকের সবুজ মাঠ আজ নিস্তব্ধ।



গাড়ির চাবি আছে হাতে  -
স্টার্ট দেওয়ার আদেশ নেই,
চায়ের দোকানে বন্ধ ঝাঁপ -
চেনা গল্পের মানুষ কই।



বাজার হাট শুনশান যেন
কোনো এক ভয়ঙ্কর পূর্বাভাসের
অশনি সংকেত!



খেলার মাঠে নেই কোনো হইচই,
বাচ্চা জড়ো আজ;  লকডাউনেই!



বোকা বাক্সটা আজ যেন
হাতের কাছে খুব জরুরী,
কিংবা পুরোনো ধূলো ভর্তি সেই বেতার বাক্সটি।



বিশ্বের প্রথম সারির উন্নত দেশে
আজ মৃত্যু মিছিলের চাপা কান্না,
বন্ধ - বাঙালীর সারা বছরের ঋতুভিত্তিক
পার্বন, মেলা কিংবা খেলা।



নিকট আত্মীয় যারা কর্মসূত্রে ভিন রাজ্যে 
কিংবা বিদেশে, তাদের দিনদিন আশংকা বাড়ছে,
ফিরতে কি পারবে তারা ! এই জন্মভূমিতে !



করোনা আর লকডাউনের জেরে
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব আজ
বড়ই হতাশার গভীর সাগরে।





কবে রক্ষা পাবে সবাই
প্রার্থনা আজ - মন্দির, মসজিদ কিংবা গির্জায়
জাতি বর্ণ নির্বিশেষে!

স্বাস্থ্য বিষয়ক খবর পড়তে ক্লিক করুন–




দৃষ্টান্ত রান্না ডেস্ক: আপনাদের জন্য আমরা এখন দিচ্ছি রুই মাছের কিছু রেসিপি। রুই মাছ সবারই অনেক পছন্দের একটি মাছ এবং একটু সহজলভ্যও বটে। তাই সবাই রুই মাছ খেয়ে থাকেন। তাদের জন্য এখন দেওয়া হচ্ছে একসঙ্গে রুই মাছের ১০টি রান্নার রেসিপি। দেখে নিন রেসিপিগুলো।

ফুলকপি ও রুই মাছের ঝোল

উপকরণ: রুই মাছ ৮ টুকরা। ফুল কপির ফুল ৮-১০টি। পেঁয়াজ বাটা দুই টেবিল চামচ। রসুন বাটা এক চা চামচ।হলুদ ও ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ করে। মরিচ গুঁড়া ঝাল অনুযায়ী। টমেটো কুচি একটি। তেল এক কাপ। জল প্রয়োজনমতো। জিরা গুঁড়া এক চা চামচ। কাঁচা মরিচ চারটি। ধনেপাতা সামান্য।
প্রণালী: মাছ ধুয়ে অল্প হলুদ ও লবণ দিয়ে ভাজতে হবে। এবার ওই তেলে ফুলকপি অল্প আঁচে ভেজে বাকি তেলে রসুন ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে টমেটো ও অন্য সব মসলা দিয়ে রান্না করতে হবে। এবার প্রথমে ফুলকপি দিয়ে তিন মিনিট রান্না করে মাছ ভাজা দিয়ে আরও তিন মিনিট রান্না করে ঝোল দিতে হবে। হয়ে এলে ওপরে কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা ও জিরার গুঁড়া ছিটিয়ে অল্প আঁচে আরও দুই-তিন মিনিট রেখে নামাতে হবে।

রুই মাছের কালিয়া

উপকরণ:রুই মাছ চার টুকরা,আলু দুটি,পেঁয়াজ কুচি দুই টেবিল চামচ,টমেটো কুচি একটি,লেবুর রস এক চা চামচ,টক দই এক চা চামচ,আদা বাটা দুই চা চামচ,রসুন বাটা দুই চা চামচ,মরিচ বাটা দুই চা চামচ,সরিষার তেল চার/পাঁচ চা চামচ,টমেটো পেস্ট এক চা চামচ,হলুদের গুঁড়া আধা চা চামচ,

জিরা গুঁড়া এক চা চামচ,মরিচের গুঁড়া আধা চা চামচ,গরম মসলার গুঁড়া সামান্য,চিনি সামান্য,দারুচিনি দুই টুকরা,শুকনো মরিচ দুটি,কালিজিরা সামান্য,পাঁচফোড়ন সামান্য,মেথি সামান্য,সরিষা সামান্য,ধনেপাতা কুচি সামান্য ও লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি:প্রথমে মাছ সামান্য হলুদ, টক দই, লেবুর রস ও লবণ মেখে ১৫ থেকে ২০ মিনিট মেরিনেটের জন্য রেখে দিন। এবার একটি প্যানে তেল দিয়ে তাতে মাছগুলো বাদামি করে ভেজে নিন। এই তেলে আলুগুলোও ভেজে নিন। এবার প্যানের তেলের মধ্যে পেঁয়াজ কুচি, আদা বাটা, রসুন বাটা, মরিচ বাটা দিয়ে কষাতে থাকুন।এবার এতে কালোজিরা, পাঁচফোড়ন, মেথি, শুকনো মরিচ, সরিষা ও দারুচিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন। এবার একটি বাটিতে হলুদের গুঁড়া, জিরার গুঁড়া ও মরিচের গুঁড়া জলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণ প্যানে ঢেলে দিয়ে অল্প আঁচে কষাতে থাকুন। মসলা দিয়ে তেল উঠে এলে এর মধ্যে ভাজা আলু দিয়ে কষিয়ে নিন।লবণ দিয়ে অল্প আঁচে রান্না করুন। আধা কাপ জল দিয়ে আবারও ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। পানি ফুটতে শুরু করলে এর মধ্যে ভাজা মাছ, টমেটো কুচি ও টমেটো পেস্ট দিয়ে পাঁচ মিনিট রান্না করুন। সবশেষে চিনি, গরম মসলা গুঁড়া ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে নেড়ে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। ভাতের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন দারুণ সুস্বাদু রুই মাছের কালিয়া।
রুই মাছের কোরমা
উপকরন:রুই মাছ – ৫০০গ্রাম,দই -২০০গ্রাম,লঙ্কা-গুঁড়ো১/২ চামচ,হলুদগুঁড়ো ১/২ চামচ,গরমমশলা-১/২ চামচ,পেঁয়াজ ১টা,

রসুনবাটা ৪ কোয়া,পেঁয়াজ কুচো- ১ টেবিল চামচ,আদাবাটা ১ চামচ,ঘি ৫০ গ্রাম,লবন-পরিমানমত,চিনি- ১/২ টেবিল চামচ ।
প্রস্তুত প্রনালী:সমস্ত বাটা ও গুড়োমশলা দইয়ের সাথে মিশিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে মাছের টুকরোয় মিশিয়ে রাখুন। পাত্রে ঘি গরম করে পেঁয়াজ কুচো লালচে করে ভেজে গরম মশলা দিন । দই ও মশলা-মাখা ঢালুন । সামান্য জল দিয়ে লবন, চিনি মিশিয়ে সেদ্ধ হলে নামান । ঝোল কম থাকবে ।
রুই মাছের ডিমের কাবাব
উপকরণ:রুই মাছের ডিম (২ কাপ),পেঁয়াজ কুচি (১ কাপ),কাঁচালঙ্কা কুচি (৩ চা চামচ),ধনেপাতা কুচি (আধ কাপ),লঙ্কার গুঁড়ো (১ চা চামচ),হলুদের গুঁড়ো (১/৪ চা চামচ),

নুন (পরিমাণমতো),টালা জিরার গুঁড়ো (আধ চা চামচ),কাবাব মসলা (আধ চা চামচ),চালের গুঁড়া বা কর্ণফ্লাওয়ার (১/৪ কাপ),লেবুর রস ( সামান্য ), তেল (ভাজার জন্য)।
প্রণালী:তেল ছাড়া সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার প্যানে তেল গরম করে তাতে মিশ্রনটিকে ছোট ছোট বল করে ডুবো তেলে দিয়ে ভেজে নিতে হবে। সাদা ভাত কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
রুই কারী উইথ টমেটো সস
উপকরনঃরুই মাছ – ৫ টুকরা,পিঁয়াজ – কুচি ১/২ কাপ,জিরা বাটা ১ চা চামচ,আদা বাটা ১ চা চামচ,রসুন বাটা ১ চা চামচ,ধনে বাটা ১/২ চা চামচ,

হলুদের গুঁড়ি ১/২ চা চামচ,লবন স্বাদ মত,লাল মরিচ গুড়া ১/২ চা চামচ,কাঁচা মরিচ – ৬/৭ টি,টমেটো সস ৪ টেবিল চামচ,টমেটো – ১ টি সাজানোর জন্য
প্রণালীঃমাছ লবণ হলুদ মাখিয়ে ভেজে তুলে রাখুন। তারপর কড়াইতে ১/২ কাপ দিয়ে পেয়াজঁ কুচি বাদামি করে ভাজুন। পেয়াজঁ বাদামি হলে একে একে বাটা মসলা গুলো দিয়ে একটু কষিয়ে টমেটো সস দিয়ে দিন। তারপর মশলা একটু কষিয়ে নিন। এখন মাছ গুলো দিয়ে ২/১ নেড়ে ১ কাপ পনি ও কাঁচা ঝাল দিয়ে ঢেকে দিন। মসলা মাখা মাখা হলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
রুই মাছের কোপ্তা কারী
উপকরণ:রুই মাছের সেদ্ধ কিমা ৩ কাপ,পিঁয়াজ কুঁচি ১ কাপ,রসুন বাটা দেড় চা চামচ,আদা বাটা ১ চা চামচ,হলুদ গুঁড়া ১/২ চা চামচ,

জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ,ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ,শুকনা মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ,কাঁচা মরিচ ২ টি (মিহি কুঁচি করে কাটা),ডিম ১ টি,টকদই ১ কাপ,লবণ পরিমাণ মত,তেল পরিমাণ মত
প্রণালী:প্রথমে রুই মাছের কাঁটা বাছা কাঁচা কিমার সাথে সামান্য পরিমাণ পিঁয়াজ কুঁচি, রসুন বাটা, আদা বাটা, ডিম অল্প, কাঁচা মরিচের মিহি কুঁচি এবং লবণ দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে নিন। কিছু সময় পর হাতের মুঠোতে চেপে গোল কোফতা তৈরি করুন। কোফতাগুলো ডুবো তেলে বাদামি করে ভেজে নিন৷এবার অন্য আরেকটি পাত্র চুলাই দিয়ে তাতে অবশিষ্ট পিঁয়াজ কুঁচি দিয়ে তার সাথে একে একে অবশিষ্ট রসুন বাটা, টকদই , হলুদ, জিরা, ধনে ও শুকনা মরিচ যোগ করে কষিয়ে নিন। ভাজা কোফতাগুলো কষানো মসলায় ছেড়ে দিন এবং সামান্য জল দিয়ে কষিয়ে নিন। কোফতাগুলো সিদ্ধ হবার জন্য পরিমাণ মত আরও জল যোগ করুন এবং ঢেকে রান্না করুন সিদ্ধ হয়ে ভুনা ভুনা হয়ে এলে নামিয়ে নিন।
রুই মাছের মুড়িঘণ্ট
উপকরণঃরুই মাছের মাথা ১টি,পেঁয়াজ মোটা কাটা ১ বাটি,আদা বাটা ১ চা চামচ,রসুন ১ চা চামচ,হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ,মরিচের গুঁড়ো ১ চা চামচ,লবণ স্বাদমতো,তেজপাতা ২টি,

এলাচ ও দারুচিনি ২টি করে,তেল পরিমাণমতো,মুগডাল ২৫০ গ্রাম,পানি পরিমাণমতো,কাঁচামরিচ আস্ত ৪-৫টি,ঘি ২ টেবিল চামচ,জিরে গুঁড়ো ১ চা চামচ
প্রণালীঃপ্রথমে রুই মাছের মাথা টুকরো করে ভালোভাবে লবণ দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। মুগডাল একটি কড়াইয়ে হালকা টেলে নিয়ে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে তা ধুয়ে ফেলতে হবে। এখন একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে প্রথম পেঁয়াজ, তেজপাতা ও গরম মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে তাতে একে একে আদা বাটা, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো মরিচের গুঁড়ো স্বাদমতো লবণ দিয়ে মসলা ভালোভাবে কষিয়ে নিন। তাতে রুই মাছের মাথা দিয়ে আরেকবার কষিয়ে কিছুক্ষণ ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রান্না করে মাছের মাথাগুলো আস্তে আস্তে অন্য একটি বাটিতে তুলে ফেলে ঐ মসলায় আগে থেকে ধোয়া মুগডাল দিয়ে আরেকবার কষিয়ে তাতে ভুনা রুই মাছের মাথা ও পরিমাণমতো জল দিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ঢেকে রান্না করতে হবে, রান্না হয়ে আসলে তা নামানোর আগে ঘি ও জিরে গুঁড়ো দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।
রুই মাছের শাহী কোরমা
উপকরণ : রুই মাছ (পরিমাণ দেড় কেজি) বড় বড় পিস, আদা বাটা দেড় টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ৪/৩ টেবিল চামচ, টক দই ১০০ গ্রাম, গরম মশলাঃ এলাচ, দারুচিনি ২টি করে আস্ত,

ঘি ও সয়াবিন তেল মিশ্রিত করে পরিমাণমতো, তেজপাতা ২/৩টি, লবণ পরিমাণমতো, কাঁচা মরিচ ৮-১০টি, বাদাম কুঁচি পরিমাণ মতো, কিসমিস পরিমাণ মতো, গুড়া ধুধ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কুঁচি ১ কাপ।
প্রণালী : প্রথমে মাছের টুকরো গুলো ভাল ভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে তাতে অল্প আদা ও রসুন বাটা এবং লবণ মাখিয়ে অল্প তেলে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। এখন একটি কড়াইয়ে তেল ও ঘি গরম করে তাতে কুঁচি করা পেঁয়াজ দিয়ে হালকা বাদামি করে ভেজে তাতে একে একে আদা বাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা, গরম মশলা, তেজপাতা, অল্প লবণ এবং টদ দই দিয়ে ভাল ভাবে মশলা কষিয়ে নিতে হবে। মশলা কষানো হয়ে গেলে তাতে মাছের টুকরো বিছিয়ে দিয়ে উপরে বাদাম কুচি, কাঁচা মরিচ, কিসমিস অল্প গুড়া দুধ ছিটিয়ে শেষে পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাছ চুলোয় অল্প আগুনে ঢেকে রাখতে হবে প্রায় ১০ মিনিট। ১০ মিনিট পর চুলো বন্ধ করে দিতে হবে। তৈরি হয়ে গেল মজাদার গরম গরম রুই মাছের শাহী কোরমা। আর মজাদার এই খাবারটি পোলাও-ভাত দিয়ে খাওয়া যায় খুব মজা করে।
রুই মাছের রেজালা
উপকরণ :১. রুই মাছ বড় ৮ টুকরা,২. ঘি ও সয়াবিন তেল একসঙ্গে ৪ টেবিল চামচ,৩. টক দই এক কাপ,৪. পেঁয়াজবাটা আধা কাপ,৫. আদাবাটা ১ চা-চামচ,৬. লবঙ্গ ৬টি,

৭. দারুচিনি ৩টি,৮. তেজপাতা ২টি,৯. শুকনো মরিচ ৭-৮টি,১০. গোলমরিচ ৬টি,১১. বড় পেঁয়াজ ২টি (পাতলা করে কাটা),১২. লবণ স্বাদমতো,১৩. চিনি স্বাদমতো,১৪. জয়ফল-জয়ত্রীর গুঁড়া সামান্য।
প্রণালি : টক দই ফেটিয়ে তার সঙ্গে পেঁয়াজ, আদা, কাঁচা মরিচ মিশিয়ে নিন। মাছ হালকা করে ভেজে ৪৫ মিনিট দইয়ে ভিজিয়ে রাখুন। কড়াইতে ঘি গরম করে গরমমসলা, তেজপাতা ও শুকনা মরিচ ফোড়ন দিন। ফোড়ন হয়ে গেলে আস্ত গোলমরিচ ও কাটা পেঁয়াজ দিন। পেঁয়াজে রং ধরলে মাছগুলো তুলে নিয়ে ফেটিয়ে রাখা দই দিয়ে নাড়তে থাকুন। মসলা থেকে তেল ছাড়লে মাছ দিয়ে দিন। তারপর লবণ ও চিনি দিয়ে সামান্য গরম পানি দিতে পারেন। মাছের ঝোল গাঢ় হবে। নামানোর আগে জয়ফল, জয়ত্রীর গুঁড়া দিতে হবে।
রুই মাছের দোপিয়াজা
যা যা লাগবে : রুই মাছ ৬-৭ টুকরা,হলুদ মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ,আদা-রসুন বাটা ১ চা চামচ,

পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ,পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ,মাছের মশলা আধা চা চামচ,টক দই ২ টেবিল চামচ,কাঁচামরিচ ফালি ৫-৬টি,ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ,তেল ৪ টেবিল চামচ,লবণ স্বাদমতো।
যেভাবে করবেন : মাছের টুকরাগুলো ধুয়ে নিন। একটি পাত্রে মাছের টুকরা টক দই, আদা, রসুন, পেঁয়াজ বাটা, লবণ, মাছের মশলা ভালো করে মেখে ১০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন।প্যানে তেল গরম করে মেরিনেট করা মাছ হাল্কা বাদামি করে ভেজে তুলে রাখুন। ওই তেলে পেঁয়াজ বাদামি করে অর্ধেক তুলে মেরিনেট করা মাছের মশলা লবণ, কাঁচামরিচ দিয়ে কষিয়ে ভাজা মাছের টুকরা সামান্য পানি দিয়ে রান্না করুন। ঝোল শুকিয়ে তেল মাছের ওপর উঠে এলে ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামিয়ে পেঁয়াজ বেরেস্তা ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।



নিজস্ব প্রতিবেদন :  আতঙ্ক বাড়ছে সারা বিশ্বে। চিনের পর শ্মশানে পরিণত হচ্ছে ইতালি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর সঙ্গে ভারতেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। যদিও ভারতে বেশির ভাগ করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদের বয়স ৬০ বা তার উর্ধ্বে। কিন্তু আক্রান্ত হচ্ছে ছোট থেকে বড়, অনেকেই। তাই প্রত্যেকের সুরক্ষার কথা ভেবে লকডাউন জারি হয়েছে সারা দেশে। এই সময় প্রত্যেকেই মেনে চলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ।

কিন্তু একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি তারা এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলেও সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা বেশি থাকে। লকডাউন থাকার কারণে এখন প্রত্যেকেই বাড়িতে। তাই সেক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি বাড়িতেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে নিজের শরীরে গড়ে তুলুন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।


১) নিয়মিত ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খান। কারণ ভিটামিন সি যুক্ত খাবার শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। তাই নিয়মিত লেবু, ব্রকলি, আপেল, পেঁপে, গাজর ইত্যাদি খেতে পারলে ভাল।

২) অতিরিক্ত চিনি ও নুন মেশানো খাবার খাবেন না। কোনও খাবারই হাফ বয়েল খাবেন না। পুরোপুরি সিদ্ধ করে তবেই খাবেন। এছাড়াও বাইরের খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন এই সময়।

৩) গ্রিন ভেজিটেবল বেশি করে খান। এর সঙ্গে দুগ্ধ জাতীয় খাবারও সঠিক মাত্রায় খান। এর ফলে শরীরে প্রোটিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।


৪) নিয়মিত পরিমাণ মতো জল পান করুন।

৫) তুলসী পাতায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট ও ভিটামিন থাকে। এছাড়াও প্রাচীনকাল থেকেই ভেষজ গুনসমৃদ্ধ তুলসীপাতা রোগ প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয়। তাই নিয়মিত ১-২টি তুলসী পাতা খাওয়ার অভ্যাস করুন।

৬) মাশরুমে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও মিনারেল থাকে। যা মানব দেহে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়াও মাশরুম রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বাড়ায়। যা শরীরে জীবাণু বা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে পারে।

৭) আদায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খনিজ থাকে, যা শরীরের ভাইরাসজনিত রোগের সঙ্গে লড়াইয়ে সহায়তা করে।



 বিশেষ প্রতিবেদন : চারিদিকে করোনা সংক্রমণের ভয় কাঁটা সকলে। অফিস তো ওয়ার্ক ফ্রম হোম জানিয়ে দিয়েছে আগেই। কেউ কেউ এই জরুরি পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের ছুটিও দিয়েছে। বিপদ বুঝে কেন্দ্রও ২১ দিনের জন্য দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করে দিয়েছে। চৌকাঠের বাইরে এক পা বের করার উপায় নেই। যাকে বলে একেবারে ঘরবন্দি। আপনি সামান্য অসুস্থ না হলেও, এত বিধিনিষেধে আপনার অবস্থাও এখন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার মতো। সময় কীভাবে কাটবে, ভাবছেন? একটু প্রিয়জনদের কাছে বসুন, গল্প করুন। মরচে পড়া সম্পর্কগুলো এমনিই ঝকঝক করে উঠবে আবার। তাছাড়া করার আরও অনেক কিছুই আছে। আপনার জন্য রইল কয়েকটি টিপস-

অফিসের ব্যস্ততায় নিশ্চয়ই অনেকদিন তো রান্নাঘরে সময় কাটানো হয়নি? তাহলে এই সময়টাকে কাজে লাগান না। শখে মা-কাকিমার কাছ থেকে তো শিখেছেন অনেক রেসিপিই। তারই একেকটা একেকদিন রেঁধে ফেলুন। পরিবারের সদস্যরা বহুদিন পর আপনার হাতের খাবার পেয়ে কেমন খুশিতে ঝলমল করে ওঠে, দেখুন না। আর সন্ধে বা রাতের বেলা নিঝুম ব্যালকনিতে কফিকাপ হাতে বসুন প্রিয়জনের মুখোমুখি। আপনাদের মাঝে নৈঃশব্দই কথা বলুক। দেখবেন, পুরনো সম্পর্কটা কেমন আবার নতুন হয়ে উঠছে। রোজকার একঘেয়েমি কেটে বেশ আনন্দের ছোঁয়া লেগেছে আপনাদের যৌথ জীবনে।


কাজের সন্তানদের তেমন সময় দিয়ে উঠতে পারছিলেন না হয়ত। বিশেষত বাবারা। এখন তো অফুরন্ত সময়। অন্তত অফিস যাতায়াতের সময়টা তো বেঁচেই থাকছে। বসুন না একটু ওর সঙ্গে। পড়াশোনা কিংবা ইনডোর গেমস, অথবা নিছক ছেলেবেলার দুষ্টুমি, আপনি ওর সঙ্গী হোন। দেখবেন, আপনার ছোটবেলাটাও কেমন ফিরে আসছে। আজ কে না জানে, ওল্ড ইজ গোল্ড? এই সময়াবসরে আপনিও তাই অতীতের স্মৃতিতে ডুব দিয়ে কুড়িয়ে আনতে পারেন হরেক মণিমুক্তো। ছেলে বা মেয়ের স্কুল যে হ্যান্ডক্র্যাফটের হোমওয়ার্ক দিয়েছে, তাতে হাত লাগান মায়েরা। যেমন ছোটবেলায় আপনাকে কারুশিল্প তৈরিতে সাহায্য করতেন আপনার মা, তেমনই আপনি আজ সেই ভূমিকা পালন করুন। দেখবেন, সন্তান আপনাকে আর মিস করছে না। বরং প্রাণখুলে সব কিছু শেয়ার করে নিচ্ছে আপনারই সঙ্গে।

বাগান করার শখ তো ছিলই। কতই না গাছ বসিয়েছেন নিজের হাতে। সময়ের অভাবে আপনারাই স্বহস্তে পোঁতা গাছগুলোর যত্ন নেওয়া হচ্ছিল না। এই ফাঁকে উসকে উঠুক আপনার গার্ডেনিং স্কিল। কত নিপুণভাবে আপনি সবুজের সমারোহে ভরিয়ে দিতে পারেন বাড়ির চারপাশ, দেখিয়ে দিন আবার সবাইকে। দূষণের বিরুদ্ধে লড়াইও হবে আর ভাল কাজে সময় ব্যয়ও হবে। আপনার এই কাজ হয়ত অন্যদেরও অনুপ্রেরণা দেবে কিছুটা সময় প্রকৃতির সঙ্গে কাটানোর। আর সেটাই আপনার সার্থকতা।




বিশেষ প্রতিবেদন : অফিস, বাড়ির কাজ সামলাতে সামলাতে হন্যে প্রায় সকলেই। তাই অনেক কর্মব্যস্ত দম্পতি ঠিকমতো একে অপরের সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন না। যৌনতায় মেতে ওঠাও হয় না তাঁদের। লকডাউনই যেন তাঁদের খানিকটা সময় কাটানোর সুযোগ করে দিয়েছে। ছুটির সুযোগে একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পেয়েছেন তাঁরা।                                                                            একসঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাড়িতে কোয়ালিটি টাইম কাটাচ্ছেন আর যৌনতায় মাতবেন না তা কী হতে পারে? দিনেদুপুরে মাঝেমধ্যেই একে অপরে উদ্দাম যৌনতায় হারিয়ে যাচ্ছেন তাই তো? কিন্তু মার্কিন স্বাস্থ্যদপ্তর বলছে যা করছেন তা মোটেও ঠিক নয়। তাদের পরামর্শ, লকডাউনের ফাঁকা সময়ে নিজের মধ্যে হারিয়ে যান। যৌনসুখ উপভোগ করতে চাইলে করুন হস্তমৈথুন।সম্প্রতি মার্কিন স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। করোনা আতঙ্ককে দূরে সরিয়ে কীভাবে যৌনতা উপভোগ করবেন, সে বিষয়ে একগুচ্ছ পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।  সেখানেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজেই নিজের যৌনসঙ্গী হয়ে উঠুন। যখনই ইচ্ছা হয় করুন হস্তমৈথুন। তাতেই দেখবেন আপনার মানসিক অবসাদ কাটবে। মিলবে যৌনতৃপ্তি। মার্কিন স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি, করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতিতে কোনও যুগলের উদ্দাম যৌনতায় মেতে না ওঠাই ভাল। একান্ত যৌনতায় মাতলেও চুমু নৈব নৈব চ! কারণ, চুমুর মাধ্যমে একজন থেকে আরেকজনের মুখে থুতু ঢুকতে পারে। তার থেকে শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে করোনা ভাইরাস। ভুল করে সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে চুমু দিলে ভাল করে মুখ ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।



বিশেষ প্রতিবেদন :  করোনার প্রকোপ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে সারা বিশ্বে জারি হয়েছে লকডাউন। তাই এখন প্রায় প্রত্যেকেই বাড়িতে। কিন্তু করোনার হাত থেকে আপনার বাড়িটিকেও রক্ষা করাটা প্রয়োজন।  একটু অসাবধান হলেই এখন হতে পারে মারাত্মক বিপদ। নিজের ঘর বাড়ি পরিষ্কার রাখুন। এমনকি ঘরে যদি কোনও অসুস্থ ব্যক্তি থাকে তাহলে তার সমস্ত কিছু আলাদা রাখুন। যাতে নিজেদের বাড়ির মধ্যেও কোনও ভাবে দূষণ ছড়িয়ে না পড়ে। রইল কয়েকটি টিপস—
১) করোনার প্রকোপ থেকে নিজের ঘর বাড়ি সুরক্ষিত করতে নিয়মিত ফিনাইল দিয়ে ঘর পরিষ্কার করুন। এছাড়াও লিকুইড ব্লিচ ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে জলের মধ্যে কিছুটা ব্লিচ দিয়ে দিন। ৩-৪ মিনিট এই মিশ্রণটি ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ছিটিয়ে দিন। ১৫ মিনিট পর পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে দিন।
২) প্রতিদিন যে থালায় খাবার খান সেই থালা গরম জলে ধুয়ে নিন। কারণ গরম জলে জীবাণু ধ্বংস হয়। রান্না ঘরে ব্যবহৃত কাপড়ও গরম জলে ধুয়ে শুকনো করে ব্যবহার করুন। 
৩) ২-৩ দিন অন্তর বিছানার চাদর, বালিশের কভার, সোফা, টিভি ইত্যাদির কভার পরিষ্কার করুন। 
৪) বাড়িতে কেউ অসুস্থ থাকলে তার জামা কাপড় আলাদা করে ধোবেন। এবং ধোয়ার পর ডেটল জলে আবারও ভালো করে ধুয়ে আলাদা রাখবেন।
৫) নিয়মিত ঘর বাড়ি পরিষ্কার করার সময় নিজের মুখ, হাত, মাথা ঢেকে নিন। নোংরা হাতে নিজের চোখে মুখে হাত দেবেন না। এছাড়াও ঘর পরিষ্কারের পর ভাল করে হাত ধুয়ে নিন।
এছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ নিয়মিত মেনে চলুন। অযথা বাড়ি থেকে বের হবেন না। বার বার হাত ধোবেন। অযথা চোখে,মুখে হাত দেবেন না।





‘দৃষ্টান্ত’ নিউজ পোর্টালটি সম্পূর্ন ভিন্ন ঘরানার। এখানে নিউজের থেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য,আইনী পরামর্শকে। যা সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় বলে আমাদের মনে হয়েছে। সেইসঙ্গে রাখা হয়েছে ব্লগ । এই ব্লগে আমাদের পাঠাকেরা কলম ধরতে পারেন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। সে রাজনীতি হতে পারে কিংবা স্বাস্থ্য,আইনী বিষয়ও। স্বরচিত কবিতা,গল্প লেখার জন্যেও রাখা হয়েছে কলাম। মূলত পাঠকদের কথা মাথায় রেখেই এই নিউজ পোর্টালটি তৈরি করা হয়েছে। যার ওয়েবসাইট নম্বরটি হল–www.dristanta.com। আপনাদের পরামর্শ আমাদের আগামীদিনের পথ চলতে সহযোগিতা করবে ।  আইনী বিষয় কিংবা স্বাস্থ্য বিষয়ক কোন প্রশ্ন করতে পারেন। উত্তর দেবেন বিশিষ্টজনেরা। 
                ভালো থাকুন,ঘরেই থাকুন, প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোবেন না। ধনাবাদ সকলকে।
                                                                                            –কর্তৃপক্ষ



বিশেষ প্রতিবেদন :  পর্যন্ত গোটা বিশ্বে মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে।করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ২১ দিন দেশবাসীকে বাড়ির বাইরে না বেরনোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বুধবার মধ্যরাত থেকে গোটা দেশে লকডাউন ঘোষণা করেছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে যদি আপনার শরীরেও হাঁচি, কাশি, গলা ব্যথা, জ্বর ইত্যাদি করোনাভাইরাসে আক্রান্তের মতো উপসর্গ লক্ষ্য করেন, তাহলে কী করবেন? আসুন জেনে নিন এ বিষয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞ (মেডিসিন) চিকিৎসকেরা–
রাস্তা-ঘাট শুনশান! পাবলিক ট্রান্সপোর্ট রাস্তায় প্রায় নেই বললেই চলে। এই পরিস্থিতিতে কেউ নিজের মধ্যে যদি করোনাভাইরাসের মতো জ্বর, হাঁচি, কাশি, গলা ব্যথা ইত্যাদি উপসর্গ লক্ষ্য করেন, তাহলে কি এসএসকেএম বা বেলেঘাটা আইডি-তে ছুটবেন?
এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ হল, পরীক্ষা করানোর জন্য আপাতত সরকারি হাসপাতালেই যেতে হবে। তবে, সরকারি হাসপাতালে এখন রোগীদের লম্বা লাইন। ফলে, পরীক্ষা করাতে অনেকটাই দেরি হয়ে যাবে। আর আপনার মধ্যে যদি সত্যিই করোনাভাইরাস থেকে থাকে এতে সংক্রমণ আরও বাড়বে। তাই প্রথামিক ভাবে বাড়ির কাছে থাকা বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে গিয়ে চিকিত্সককে দেখিয়ে নিন। নিজে একান্তই যেতে না পারলে ওই হাসপাতাল বা ল্যাবের হেল্পলাইনে ফোন করে আপনার বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যেতে অনুরোধ জানান। যদি হাসপাতালে যেতে হয় সেক্ষেত্রে অবশ্যই মাস্ক পরে যাবেন। অপেক্ষাকৃত কম ভিড়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবেন।
এর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ হল, সেল্ফ কোয়ারান্টাইনে থাকুন। পরিবারের সদস্যদের থেকে কমপক্ষে ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে বাড়ির বয়স্কদের প্রতি বাড়তি সতর্কতা নেওয়া জরুরি। পরিষ্কার জামা-কাপড় পরুন, নাক, মুখ রুমালে বা মাস্কে ঢেকে রাখুন। চেষ্টা করুন টিশু ব্যবহার করতে আর সাবান বা স্যনিটাইজার দিয়ে হাত জীবানুমুক্ত রাখতে।
চিকিৎসকেরা জানান, বছরের এই সময়টায় এমনিতেই জ্বর, সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। তাই চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল খেতে পারেন। আর প্রচুর পরিমাণে জল খান আর বিশ্রাম নিন। এই সময় নিজেকে সুস্থ রাখার এটাই অন্যতম উপায়।




মহিলাদের মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যার পিছনে থাকে নানাবিধ কারণ। এই সাক্ষাৎকারে মহিলা, তাদের মানসিক অবসাদ এবং সামাজিক উপাদান, যা মহিলাদের মানসিক স্বাস্থ্য-সমস্যার প্রবণতা বাড়ায়, নিয়ে হোয়াইট সোয়ান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সংস্থার চেয়ারম্যান সুব্রত বাগচিকথা বলেছিলেন ডঃ প্রভা এস চন্দ্রা-র সঙ্গে। সেই কথপোকথন সংক্রান্ত ভিডিওটির সম্পাদিত অংশের লিখিত রূপ তুলে ধরা হল-

সুব্রত বাগচি: আ নিউ ডাইমেনশনে আপনাদের স্বাগত জানাই। আমি সুব্রত বাগচি এবং আমার সঙ্গে আজ এই স্টুডিওয় উপস্থিত রয়েছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেলথ্‌ অ্যান্ড নিউরোসাইন্সেস-এর সাইকিয়াট্রি বিভাগের প্রধান ও ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর উইমেন্স মেন্টাল হেলথ্‌-এর সেক্রেটারি ডঃ প্রভা চন্দ্রা।

ডঃ চন্দ্রা আপনাকে এই অনুষ্ঠানে স্বাগত। আ নিউ ডাইমেনশন-এ আমার অতিথি হয়ে আসার জন্য আপনাকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।

ডঃ প্রভা চন্দ্রা: এই অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমিও খুব আনন্দিত।

সুব্রত বাগচি: এটা আমাদের কাছে খুবই সৌভাগ্যের বিষয় যে আপনি আজ আমাদের মধ্যে উপস্থিত হয়ে মহিলা ও তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করছেন। কিন্তু তার আগে আমরা আপনার কাছে জানতে চাইব যে আপনার আজকের দিনটা কেমন ছিল?

প্রভা চন্দ্রা: আজকের দিনটা খুবই ব্যস্ততার মধ্যে কেটেছে আমার। আজকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে আমার রুগি দেখার দিন ছিল আর আজ আমি এমন চারজন মহিলাকে দেখলাম যাঁদের সমস্যার মধ্যে কোনও মিল নেই। এদের মধ্যে একজন অল্পবয়সি মেয়ে ছিল যে বৌদ্ধিক অক্ষমতায় ভুগছে। ওদিকে তার পরিবার তার বিয়ে দেওয়ার জন্য চিন্তাভাবনা করছে; আরেকজন মহিলা ছিলেন যিনি সফট্‌ওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। তিনি যৌন সমস্যা ও নানারকম শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন এবং যার মূলে রয়েছে সম্ভবত তাঁর মানসিক অবস্থান; অন্যদিকে, আরেকজন মহিলা যিনি মা হতে চাইছেন কিন্তু অতীতের মানসিক অবসাদ তাঁর পিছু ছাড়ছে না। তাই তিনি তাঁর স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে আমার কাছে এসেছিলেন এই বিষয়ে আলোচনা করার জন্য। ব্যস, এভাবেই ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে আজ আমার দিন কেটেছে।

সুব্রত বাগচি: চার নম্বর মহিলার কী সমস্যা হয়েছে?

প্রভা চন্দ্রা: উনি আসলে খাদ্যাভ্যাসজনিত সমস্যায় ভুগছেন।

সুব্রত বাগচি: বুঝেছি, আচ্ছা এই মহিলাদের বয়স কত ছিল?

প্রভা চন্দ্রা: প্রত্যেকেরই বয়স ৩৫-এর নীচে। সেদিক থেকে দেখলে সবাই অল্পবয়সি।

সুব্রত বাগচি: এই সমস্যাগুলো কি শহরেই বেশি দেখা যায় নাকি গ্রামেও এই ঘটনা ঘটে, কী মনে হয় আপনার?

প্রভা চন্দ্রা: না না একেবারেই নয়। যেমন- বৌদ্ধিক অক্ষমতায় যে মহিলা ভুগছেন তিনি দাভাঙ্গেরের গ্রামীণ অঞ্চল থেকে এসেছিলেন। আরেকজন এসেছিলেন নেল্লোর থেকে। তাই এই সমস্যা শুধু শহরেই হয় তেমন কথা কখনোই নিশ্চিত করে বলা যায় না। এসব সমস্যা ভারতের প্রতিটি কোণে দেখা দিতে পারে।

সুব্রত বাগচি: তাহলে এই সমস্যার সঙ্গে শহর-গ্রামের কোনও সম্পর্ক নেই। বা এই সমস্যার সঙ্গে গরিব বা বড়লোকেরও কোনও যোগ নেই। (প্রভা চন্দ্রা: না, কোনওভাবেই যোগ নেই।) এই বিষয়ে আমি আপনার মতামত জানতে চাই। আমাদের দেশের জনসংখ্যা ১.২ কোটি এবং আমরা প্রায়শই বলি যে আমাদের দেশে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সংখ্যা চার হাজারেরও কম ও সম্ভবত দশ হাজারের মতো প্রশিক্ষিত চিকিৎসক রয়েছে। 

এটা সত্যি বিশাল সমুদ্রে ঝাঁপ দেওয়ার মতো একটা বিষয়। আবার ১.২ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ৫০ শতাংশ মহিলা। কিন্তু তার মানে আমি এটা বলছি না যে ৫০শতাংশ মহিলার মধ্যেই ৫০ শতাংশ সমস্যা রয়েছে। কিছু মানুষ মনে করে যে মহিলাদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টা সম্ভবত একটা বিরাট সমস্যা। 

শুধু যে এর ফলে একজন মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হয় তা নয়। অনেকসময়ে নীরবে সেই মানুষের পরিচর্যাকারীরাও দুর্দশার মধ্যে পড়ে। এবং একটা পরিবারের কাছে এই পরিস্থিতি মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এমনকী এর শাখা-প্রশাখা অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। তাই আপনি আমাদের বলুন যে মহিলাদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টাকে আপনি কীভাবে দেখেন- এই বিষয়টার প্রতি কি সত্যিই আমাদের বিশেষভাবে নজর দেওয়া উচিত?



লিঙ্গ ছোট এবং বড় পুরুষের ভুল

যদি কাউকে প্রশ্ন করা হয় – “আপনি কি আপনার লিঙ্গ লম্বা করতে চান?” প্রায় সবাই উত্তরে বলবেঅবশ্যই চাই!কিন্তু কেন? বড় লিঙ্গের সুবিধাটা কি একটু বলবেন আমাকে?আমাদের দেশের মানুষ ভ্রান্থ ধারণা নিয়ে বসে আছে! উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের দৈর্ঘ্য গড়ে প্রায় ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি পরিমান হয়। 

তবে ব্যাক্তিবিশেষের উপর নির্ভর করে এই মান ৪ ইঞ্চি থেকে ৭.৫ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। সব থেকে দীর্ঘতম লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১৩.৫ ইঞ্চি! তবে এখানে উল্লেখ্য যে অনুত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের দৈর্ঘ্যের উপর উত্তেজিত দৈর্ঘ্য কখওনোই নির্ভর করেনা।এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন ভিডিওতে যে অনেক বড় লিঙ্গ দেখি

 হ্যাঁ আপনি ঠিক বলেছেন পর্ণ ভিডিওতে যে লিঙ্গ দেখেন তা বিশেষ উপায়ে বড় করা হয়। যারা পর্ণ ভিডিও তৈরি করে তাদের সব কিছু সাজানু থাকে পরিকল্পিত ভাবে তৈরি করা হয়। তাই একজন পর্ণ স্টার যা করবে তা কি আপনার করতে হবে?একজন নারিকে যৌন সুখ দিতে একজন পুরুষের লিঙ্গ স্বাভাবিক ভাবে ৪ইঞ্চিই যথেষ্ট।

যৌন তৃপ্তির জন্য আকার মুল বিষয় নয়। প্রধান বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে মিলনে এবং সিঙারে আপনার কারুময়তা। আপনি যত বেশি সৃষ্টিশীল পদ্ধতিতে নারীকে অনকরবেন সে তত বেশি আপনার পার্সোনলিটির প্রতি আবেগী হবে।তাই লম্বা লিঙ্গ নিয়ে না ভেবে যা আছে নিয়ে সুখে থাকুন। আর আপনার লিঙ্গ যদি ৪ইঞ্ছি হয় উত্তেজিত অবস্থায় তবে আর বড় করার চিনাত করবেন না। যৌন মিলনে বড় লিঙ্গের কোন ভূমিকাই নেই।

Author Name

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.